এবার সরকারি মালিকাধীন গাড়ি চাইলেন হাসনাত আবদুল্লাহ
আবারও জাতীয় সংসদে দাড়িয়ে সংসদ সদস্যদের জন্য গাড়ি চাইলেন কুমিল্লা-৪ আসনের সাংসদ আবুল হাসনাত (হাসনাত আবদুল্লাহ)। এবার তিনি পরিস্কার করে বলেছেন, “ট্যাক্স ফ্রি গাড়ি আমরা নিব না। জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান, পৌর মেয়র, জেলা প্রশাসক, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, এসিল্যান্ডসহ অন্যান্য সরকারি অফিসার সরকারি কার্য পরিচালনা করার জন্য যেভাবে সরকারি একটি গাড়ি পেয়ে থাকে, ঠিক একই প্রক্রিয়ায় যারা সংসদ সদস্য আছে, তাদেরকে গাড়ি ব্যবহারের ব্যবস্থা করা দেয়া যায় কিনা সেটি আমি এই সংসদে আমি জানিয়েছিলাম।
২২ এপ্রিল জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বের পর অনির্ধারিত আলোচনায় দাঁড়িয়ে তিনি এ কথা জানান।
এর আগে ২১ এপ্রিল স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম জাতীয় সংসদে অনির্ধারিত আলোচনায় জানান, সরকার সংসদ সদস্যদের জন্য প্রতিটি উপজেলা পরিষদ ভবনের দোতলায় বসার জায়গা হিসেবে একটি সুস্বজ্জিত কক্ষ স্থাপনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
তখন হাসনাত আবদুল্লাহ সরকারের এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, সংসদ সদস্যদের বসার একটি জায়গা হলো, এখন যাতায়াতের জন্য একটি গাড়ির ব্যবস্থানকীলে খুব ভালো হতো। কারন আমাদের গাড়ি নেই, ভাড়ার গাড়িতে নির্বাচনী এলাকায় যেতে হয়।
তার এ বক্তব্য সমর্থন করেন জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা জামায়াতে ইসলামীর আমীর শফিকুর রহমান।
হাসনাত আবদুল্লাহ আজ বুধবার (২২ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে অনির্ধারিত আলোচনায় দাড়িয়ে বলেন, গাড়ি নিয়ে তার বক্তব্য ঠিকভাবে উপস্থাপন হয়নি।
হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, ট্যাক্স ফ্রি গাড়ি আমরা নিব না। প্লট এই সুবিধাটি যেটি আমরা নিব না। জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান, পৌর মেয়র, জেলা প্রশাসক, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, এসিল্যান্ড সহ অন্যান্য সরকারি অফিসার সরকারি কার্য পরিচালনা করার জন্য যেভাবে সরকারি একটি গাড়ি পেয়ে থাকে, ঠিক একই প্রক্রিয়ায় আমাদের যারা সংসদ সদস্য আছে তাদেরকে একটি গাড়ি ব্যবহার করে দেয়া যায় কিনা, সেটি আমি এই সংসদে আমি জানিয়েছিলাম।
তিনি বলেন, সরকারি মালিকানাধীন একটি গাড়ি যতদিন পর্যন্ত এমপি থাকবেন ঠিক ততদিন ব্যবহার করবেন এবং সেটির জন্য কিন্তু এক্সট্রা খরচও লাগবে না। সংসদ সদস্যদেরকে গাড়ি মেনটেনেন্স করার জন্য ৭০ হাজার টাকা দেয়া হয়। কিন্তু আমাদের গাড়ি নেই।
তিনি আরও বলেন, ট্যাক্স ফ্রি গাড়ি এবং প্লট এ বিষয়ে পুরো হাউজ ঐক্যবদ্ধভাবে সিদ্ধান্ত নিয়েছে- এটি নিবে না। এই ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রত্যেকটি এমপি সেটির জন্য একটি অনন্য নজির স্থাপন করেছে। এটি মিডিয়াতে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করেছে। সেটির জন্য এখানে পুনরাবৃত্তি করেছি, সকল এমপিদের পক্ষ থেকে, আমরা ট্যাক্স ফি গাড়ি বা প্লটের সুবিধা আমরা নিবো না।